নিজস্ব প্রতিনিধি:বান্দরবানে রোয়াংছড়ি উপজেলা খামতাং পাড়া হতে কুকিচিং ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) ভয়ের পালিয়ে আসার আশ্রয়িত ৫০ পরিবারসহ আশেপাশে অবস্থানরত অধিবাসীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ঔষধ সেবা দিচ্ছে বান্দরবানের সেনা জোন।
রবিবার ৯ এপ্রিল সকাল ১০ টা রোযাংছড়ি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ সেবা প্রদান করা হয়েছে।
বান্দরবান সেনা জোনের আয়োজনের অনুষ্ঠিত সেবা ক্যম্পে সকাল থেকে বিভিন্ন ভাবে জটিল রোগীরা ভীর জমান দিয়েছে।
বান্দরবান সেনা জোনের উপ অধিনায়ক মেজর এ এস এম মাহমুদুল হাসান, পিএসসি জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দেশ রক্ষার কাজ ছাড়াও মানবতার কল্যানের কাজ করে যাচ্ছে। সে লক্ষ্য দুর্ঘটন মানুষের পাশে নিত্য প্রয়োজনীয় খাওযা দাওয়া ছাড়াও স্বাস্থ্য সুরক্ষা অতীব জরুরী সুতারাং আশ্রয়িত অসহায়দের বিনামূল্যে ঔষধ ও চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছি। পরিস্থিতির স্বাভাবিক ফিরে না আসার পর্যন্ত এ সেবা চলমান রাখা হবে।
শুক্রবার খামতাং পাড়া কেএনএফ ও ইউপিডিএফ মধ্যে খন্দ খন্দ গোলাগুলিতে ৮ জন কেএনএফ সদস্য নিহত হয়। এ ঘটনার ভয়ে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে আসেন ৫০ পরিবারের ১৯৫ জন সদস্য। গত তিন দিন ব্যাপী তারা অসহায় অবস্থা রোয়াংছড়ি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষর্থীদের ক্লাস রুমে আশ্রয় নিয়েছে। বিনা মূল্যে ঔষধ ও চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন বান্দরবান সেনা জোনের আর এম ও মো: আসাদুল ইসলাম।
এতে খামতাং পাড়া কারবারি অংশৈহ্লা খিয়াং (৪৭) বলেন পাহাড়ের দুই গ্রুপের গুলাগুলি আওয়াজ শুনে পাড়াতে ঠমঠমে ভয় বিরাজ করছে তাই আমরা সেনাবাহিনীর সহায়তা আশ্রয় পেয়েছি। জানিনা কখন এলাকা পরিস্থিতি শান্ত হবে। বর্তমানে জুম্মে ধান লাগানোর সময় চলে এসেছে। নিজেদের খাদ্য উৎপাদন করতে না পারলে কয়দিন কয় বছর খাওয়াবেন। আমরা কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) সন্ত্রাসীদের নির্মূল চাই। আমরা নিজের এলাকাতে ফিরে যেতে চাই।
এছাড়াও সকালে রোয়াংছড়ি উপজেলা পর্যটন স্পর্ট দেবতাকুম পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে চাউল, ডাল, মুরগি, পিঁয়াজ, তৈল,সবজি ও মশলা সমাগ্রী খাদ্য শস্য ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, রোয়াংছড়ি কলেজ অধ্যক্ষ ও দেবতাখুম পরিচালনা প্রধান নিবার্হী কমিটির সম্পাদক জেরী রোয়ালথাং লিয়ান বুইতিং, পরিচালনা কমিটির সভাপতি নুচমং মারমা, সদস্য কমল কান্তি বড়ুয়াসহ প্রমুখ।
All rights reserved © 2020 paharechok.com||
এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি